অবশেষে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা..
অবশেষে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা..
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের সব সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা মেয়রদের অপসারণ করে অন্তর্বর্তী সরকার। এসব শীর্ষ পদে তখন বেশির ভাগই ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতারা। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তাঁদের অধিকাংশই আত্মগোপনে চলে যান। পরে সরকার শীর্ষ পদে প্রশাসক বসানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভায় এখনো প্রশাসকেরা দায়িত্ব পালন করছেন
আজ সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকারমন্ত্রীকে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, স্থানীয় নির্বাচন কবে নাগাদ হতে পারে। তখন তিনি বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব আমরা এগুলোতে নির্বাচনের ব্যবস্থা করব। যত দ্রুত সম্ভব এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করা উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, তিনি এ বিষয়ে এখন মন্তব্য করবেন না। কী হয়েছে আগে দেখে, তারপর কথা বলবেন। অন্তর্বর্তী সরকারের কাজের মূল্যায়ন করবেন কি না, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি প্রয়োজন নেই। কারণ, বিশেষ একটি সময়ে তাঁরা দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। তাঁরা সিংহভাগ কাজ করতে পেরেছেন। তাঁদের কৃতিত্ব দিতে হবে। তাঁরা অনেক ভালো কাজ করেছেন।
দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকার জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনের উদ্যোগ নেবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর আজ বুধবার সচিবালয়ে প্রথম কার্যদিবসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আইনশৃঙ্খলা যতটা খারাপ বলা হয়, ততটা খারাপ নয়। আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে। অর্থনীতি অনেক ইতিবাচক। ব্যাংক খাত নিয়ন্ত্রণে এসেছে। বিগত সময়ে এসব খাত ধ্বংস হয়ে গেছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে একটা বড় ঝড় গেছে। দেশে একটা বিদ্রোহ, গণ–অভ্যুত্থান হয়েছে। এক দিনে সব ঠিক হয়ে যাবে না। নির্বাচিত সরকার এসেছে। সব ঠিক হয়ে যাবে।

Comments
Post a Comment